বাত ,স্পন্ডেলাইসিস, প্যারালাইসিস এবং স্ট্রোক হবার পর শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভালো করে সচল থাকে না । তখন এই ফিজিওথেরাপীর বিভিন্ন পদ্ধতি এবং আনুষঙ্গিক বিভিন্ন মেশিনের সাহায্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
অবশ্যই সম্ভব । বিভিন্ন মেশিনের সাহায্যে এই ব্যথা একটু চেষ্টা করলেই নিরাময় সম্ভব । তবে ম্যাজিকের মত না হলেও কোন কোন ক্ষেত্রে একটু দেরী লাগে । কিন্তু উপশম সম্ভব।
হাড়ে যখন কোন অপারেশন হয়, তখন দীর্ঘদিন ধরে গাঁট বা জয়েন্ট গুলো নড়াচড়া না করার ফলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক দেরি লাগে। এ ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি করলে অনেক তাড়াতাড়ি কাজে ফেরা সম্ভব।
একবার ব্যায়াম করলে যেমন ফল পাওয়া যায় না , তেমনি অনেকদিন ধরে বসে যাওয়া মাংসপেশিকে সচল করার জন্য আস্তে আস্তে ফিজিওথেরাপি সাহায্যে স্বাভাবিক অবস্থায় আনা হয়।
কোন কোন ক্ষেত্রে যায় । আবার কোন কোন ক্ষেত্রে 90 ভাগ , 80 ভাগ , 70 ভাগ বা 60 ভাগ পর্যন্ত ভালো হয়ে যেতে পারে ।তবে সেটা নির্ভর করে কতখানি মাংসপেশী বা স্নায়ুর ক্ষতি হয়েছে তার উপর।
না তা কেন হবে। প্রত্যেকটা রোগের জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে এবং নির্দিষ্ট যন্ত্র আছে । তবে কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে একাধিক যন্ত্রের প্রয়োগ লাগতে পারে। আর যাই হোক , এই ফিজিওথেরাপি একটু সময় লাগে বটে কিন্তু কখনোই খুব ব্যয়বহুল নয়।
প্রায় সব দিন থাকেন । কারণ ফিজিওথেরাপি একটি রুটিনমাফিক চিকিৎসা পদ্ধতি । আসার আগে দয়াকরে ফোন করে আসবেন নতুবা জিএফসি হসপিটাল অ্যাপ ডাউনলোড করে নোটিশ-বোর্ড দেখে আসবেন ।